March 3, 2021, 11:15 am

শিরোনাম
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ইরাক প্রবাসী খোলা চিঠি। টাকার মেশিন এমপি নূর মোহাম্মদের বিকাশ নাম্বার, অজ্ঞাত উৎস থেকে প্রতিদিন ঢুকছে টাকা! বাংলাদেশ থেকে ১২ হাজার কর্মী নেবে সিঙ্গাপুর ও রোমানিয়া কৌশলে রেজিস্ট্রেশন করে টিকা নিচ্ছেন ৪০ বছরের কম বয়সীরাও! বিশ্ববিদ্যালয় খুলবে ২৪ মে,আবাসিক হল ১৭ মে: শিক্ষামন্ত্রী পিরোজপুরে স্কুল শিক্ষিকার বাসা থেকে গৃহপরিচারিকার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার। “বকুলতলা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অমর একুশের ভাষা শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ” ভাষা শহীদদের জন্য বায়তুল মোকাররমে দোয়া ও মোনাজাত বাগেরহাটে গাছে আমের মুকুলে ভরপুর স্বপ্ন বুনছেন চাষিরা। সেভ দ্যা ফিউচার ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সম্মেলন ২০২১ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কাশিমপুর কারাগারে কয়েদির নারীসঙ্গী, গঠিত হয়েছে, দুটি তদন্ত কমিটি।

বাইরে থেকে নারীকে এনে খুনসুটি, একান্তে সময় কাটানো। গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার-১ এমন আমুদে জীবনে আছেন এক কয়েদি। সিনিয়র জেল সুপারের উপস্থিতিতেই এতে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করছেন ডেপুটি জেলার। পুরো ঘটনায় তোলপাড় চলছে, কারা অধিদপ্তরে। গঠিত হয়েছে, দুটি তদন্ত কমিটি।

জেলখানার সম্বল, থালা বাটি কম্বল। হালে অবশ্য এমন প্রবাদ ধোপে টেকে না। অন্তত কাশিমপুর কারাগারেতো নয়ই। কেন? সেই প্রশ্নের উত্তর মিলবে একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে।

দেশের আর্থিক খাতের অন্যতম কেলেংকারি হলমার্ক আর তার হোতা তানভীর। কয়েক হাজার কোটি টাকা লোপাটের সেই কেলেংকারিতে তানভীরের অন্যতম সহযোগী তুষার। হলমার্ক গ্রুপের জিএম সম্পর্কে তানভীরের ভায়রা। তুষার এখন কাশিমপুর কারাগারে অন্তরীণ। কিন্তু গত ৬ জানুয়ারি কারাগারের প্রধান ফটকের ভেতরের সিটিটিভি ক্যামেরায় দেখা গেলো ভিন্ন তুষারকে। হাঁটাচলার ধরন আর মুখাবয়বে কে বলবে তিনি কয়েদি। ভেতর থেকে বেরিয়ে এসে ঢোকেন প্রধান ফটকের বাম পাশের একটি কক্ষে।

আট মিনিট পেছনে যাওয়া যাক। ১২টা ৫৬ মিনিট, কারাগারে দুই যুবকের সাথে ঢুকলো এক নারী। রিসিভ করেন খোদ ডেপুটি জেলার সাকলায়েন। ঢোকেন পাশের কক্ষে। বেরিয়ে যান সাকলায়েন। আট মিনিট পর ফেরেন তুষারকে নিয়ে। প্রায় ১০ মিনিট পর অফিস ছাড়েন, বেরিয়ে যান সিনিয়র জেল সুপার রত্না রায়। মিনিট না পেরুতেই রত্না রায়ের কক্ষের দিকে যান তুষার। দুই মিনিট পর বেরিয়ে এসে, এবার ফের সেদিকে যান। তবে এবার সাথে সেই নারী। যাতায়াতের সময় খানিক খুনসুটিও করেন দুজনায়। হাসি ঠাট্টায় বোঝার জো নেই, কয়েদি না ভ্রমনপিপাসু।
দুই মিনিট পর আবারো দুজন ফেরেন আগের কক্ষেই। এরপর ছিলেন টানা ৪৫ মিনিট। ভেতরকার ছবি অবশ্য ধরা পড়েনি ক্যামেরায়।

করোনাকালে যেখানে পরিদর্শন নিষেধ সেখানে ডেপুটি জেলার, সিনিয়র জেলা সুপারের উপস্থিতিতে এক কয়েদির নারী নিয়ে জেলের ভেতরেই সময় কাটানো নিয়ে এখন তোলপাড় কারা অধিদপ্তর। গঠিত হয় দুটি তদন্ত কমিটি।

[৭] জেলা প্রশাসক বলছেন, অভিযোগটি তদন্ত করে এরই মধ্যে সত্যতা পেয়েছেন তারা। তবে সারাক্ষণ পাহারায় থাকায় ডেপুটি জেল সুপার সাকলায়েনের দাবি, সবই হয়েছে সুপারের নির্দেশনায়। অনেক চেষ্টাতেও মেলেনি সুপারের মন্তব্য। মুখে কুলুপ এঁটেছেন কারা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও। তদন্ত চালিয়ে গেলেও বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে নারাজ। সূত্র চ্যানেল টোয়েন্টিফোর ।

শেয়ার করুন

© All rights reserved, প্রবাসী ক্লাব ফাউন্ডেশন- The Expat Club Foundation. (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি)।  
Design & Developed By NCB IT
Shares