June 23, 2021, 2:22 am

শিরোনাম
পিরোজপুরে দলীয় বিদ্রোহীদের প্রভাবে দিশেহারা আ’লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থীরা ফের বিয়ে করেছেন রেলমন্ত্রী, পাত্রী দিনাজপুরের মেয়ে সেভ দ্যা ফিউচার ফাউণ্ডেশন পিরোজপুর জেলা কমিটির কেন্দ্রের অনুমোদন ঈশ্বরদী শহরের দেবর-ভাবির প্রেমের বলি ব্যবসায়ী শাকিল পিরোজপুরে সাপোর্টে মানব কল্যাণ সংস্থার বস্ত্র বিতরণ। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ৩৫ হাজার পাঞ্জাবি উপহার দিলেন ভান্ডারিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগ সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম সাংবাদিক রোজিনার নিঃশ্বর্ত মুক্তির দাবীতে পিরোজপুর প্রেস ক্লাবের মানববন্ধন। সৌদিগামী বাংলাদেশ বিমানের ২০ থেকে ২৪ মের সব ফ্লাইট বাতিল ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি: উদ্ধার করা ৩৩ জনের সবাই বাংলাদেশি, নিখোঁজ ৫০ জনের বেশি সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদের প্রেস ব্রিফিং বয়কট করলেন সাংবাদিকরা

ভয়ংকর পুত্রদের সামলানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর।

আওয়ামী লীগের নেতা, এমপি, জনপ্রতিনিধিদের পুত্রদের সামলানোর নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের একাধিক এমপির পুত্রের বিরুদ্ধে নানা রকম অভিযোগ আছে। এসব অভিযোগের ব্যাপারে আইন শৃংখলা বাহিনী তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে। ইরফান সেলিমের ঘটনার পর অন্তত ১৫ জন এমপি পুত্র গোয়েন্দা নজরদারীতে আছেন বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে অন্তত ৫ জন গ্রেপ্তার আতংকে ভুগছেন। আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আজ এক এমপিকে বলেছেন ‘ছেলে সামলাও না হলে এমপি গিরি ছাড়ো। ছেলের জন্য তোমার বদনাম হবে। ছেলেকে বাঁচাতে পারবে না, তুমিও বাঁচতে পারবে না।’

ইরফান সেলিমের ঘটনার পর আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে একাধিকবার কথা হয়েছে আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকের। জানা গেছে অন্যান্য সাংগঠনিক বিষয়ের পাশাপাশি এমপি এবং তাদের ভাই এবং পুত্রদের নিয়েও কথা হয়েছে। আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষ নেতা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী সব জানেন। কার ছেলে কোথায় কি করে। এদের সংখ্যা খুব কম। হাতে গোনা ৫/৬ জন। অথচ এদের কারনে দল এবং সরকার বিব্রত হয়।

জানা গেছে, কয়েকজন এমপি পুত্রের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আছে। সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত এই অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এসব অভিযোগ সত্যি হলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। কয়েকজন এমপির পুত্রের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই, কিন্তু এরা উশৃংখল জীবন যাপন করে, বিভিন্ন স্থানে ক্ষমতার দাপট দেখায়। এদের সাবধান করে দেয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগের একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেছেন ‘ক্ষমতাসীন দলের নেতা এবং এমপিদের দৌরাত্ম শুরু হয় ২০০১ সাল থেকে। এর আগে তোফায়েল ভাইয়ের ছেলে মেয়েরা কি ভাবে বড় হলো কেউ টেরই পেলো না। নাহিন (নাহিন রাজ্জাক এম.পি) এখনও মাথা উচু করে কথা বলে না। আর তোফায়েল ভাইয়ের মেয়ে মুন্নীকে তো কেউ চেনেই না। এটাই হলো আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি।’ তিনি বলেন ‘২০০১ সালে তারেক, মাহির অত্যাচার শুরু হয়। তখন অন্য মন্ত্রী, এমপির ছেলে মেয়েরাও মনে করে, আমরা কেন বসে থাকবো। শুরু হলো আকবর পুত্র, সাইফুর রহমান পুত্র, তরিকুল পুত্রদের দৌরাত্ম।’ তিনি বলেন ‘আমরা ঐ সংস্কৃতি থেকে রাজনীতিকে বের করে আনার চেষ্টা করছি।

শেয়ার করুন

© All rights reserved, প্রবাসী ক্লাব ফাউন্ডেশন- The Expat Club Foundation. (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি)।  
Design & Developed By NCB IT
Shares