May 19, 2021, 2:45 am

শিরোনাম
সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদের প্রেস ব্রিফিং বয়কট করলেন সাংবাদিকরা প্রবাসীদের জন্য প্রভিডেন্ট ফান্ড গঠনের চিন্তা,সরকার দেবে ৫% প্রণোদনা পিরোজপুরে অসহায় কর্মহীন মানুষের পাশে “ফ্রেন্ডস’ ৯৭ পিরোজপুর” লকডাউন বাড়ছে ১৬ মে পর্যন্ত, এক জেলা থেকে আরেক জেলায় গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। প্রবাসী আয়ে ঢল, রিজার্ভ বেড়ে ৪৫ বিলিয়ন ডলার,এপ্রিলে ২০৬ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা । মে মাসের প্রথম দুই দিনে এসেছে ১৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার। যত টাকা লাগুক, প্রয়োজনীয় করোনার টিকা আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী পিরোজপুর জেলা সেভ দ্যা ফিউচার ফাউন্ডেশনের পবিত্র রমজান মাসে খাদ্যদ্রব্য বিতরণ। পিরোজপুর HDTএর সৌজন্যে সেলাই মেশিন বিতরণ। লকডাউনে পিরোজপুর শহরে মাদকের ভয়াবহতা বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ! করোনাকালে অসহায় কৃষকের ধান কেটে দিলেন পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগ।

কওমীদের উদ্যোগে হতে যাচ্ছে চামরা শিল্প কারখানা

সাইফুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার :

বিষেশ এক সুত্রের মাধ‍্যমে যানা যায় শায়খুল ইসলাম আল্লামা আহমদ শফী, আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী, আল্লামা মুফতী ওয়াক্কাস,আল্লামা নুর হোসাইন কাসেমী সহ নেতৃত্বস্থানীয় আলেমগণ বাংলাদেশের শিল্পপতী আলেম, দ্বীনদার ব্যবসায়ীদের কে নিয়ে একটা মিটিং আহবান করেন।
মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন
৫০০ জন শিল্পপতি আলেম ও ধনাট্যবান দ্বীনদার লোক। মিটিংয়ে একটা চামড়া শিল্প কিভাবে তৈরী করা যায় সে ব্যাপারে আলোচনা চলছিলো।

একজন তরুণ উদ্যাক্তা আলেম দাড়িয়ে ক্ষোভ এবং আগ্রহ নিয়ে বলতে লাগলেন, হুজুর! আমরা সকল ওলামা হযরাত আর দ্বীনদার শিল্পপতি আলেমরা মিলে একটা চামড়া শিল্প-কারখানা তৈরী করতে পারিনা? পারিনা জাতিকে নতুন কিছু উপহার দিতে? ওলামায়ে কেরাম দেশ ও মিল্লাতের অর্থনীতির চাকাকে সমৃদ্ধ করুক এই কামনা করতে পারিনা?

একটু পর তরুণ মাওলানা আরও বললেন, “একটা চামড়ার জুতার দাম ২ হাজার/৩ হাজার টাকা, চামড়ার ব্যাগ, ১ হাজার/২ হাজার, একটা চামড়ার মানিব্যাগ ২০০/৩০০ টাকা। চামড়ার একটি বেল্ট ৫০০ টাকা। কিন্তু একটি চামড়ার দাম মাত্র ২০০ টাকা ৩০০ টাকা কেন?

আমরা কি এই সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে পারিনা, যারা গরীব এতীমের হক মেরে খাচ্ছে?

একেকজন করে সবাই বক্তব্য রাখলেন। সবার চোখেমুখে ক্ষোভ। হৃদয়ে মিল্লাতের জন্য নতুন কিছু উপহার দেয়ার মনোবাসনা।

সিদ্ধান্ত হলো ওলামায়ে কেরামের তত্ত্ববধানে একটা চামড়া শিল্প হবে। ৫০০ জন আলেম প্রত্যাকে ১০ লাখ টাকা করে ইনভেস্ট করবেন। কুরবানীর দিন বাংলাদেশের সকল কওমী মাদ্রাসার চামড়া একত্রিত করা হবে। কুরবানীর দিন চামড়া তুলে কারখানায় রাখা হবে। দশ হাজার শ্রমিক দিয়ে সকল চামড়া লবনজাত/প্রক্রিয়াকরণ করা হবে।

এরপর…. এরপর। নিজেরাই একটা চামড়া শিল্প তৈরী করবেন। নাম হবে কওমী ব্রান্ড। এই ব্র্যান্ড থেকে তৈরী জুতা, সেন্ডেল, বেল্ট, মানিব্যাগ, চামড়ার আরও বিভিন্ন পণ্য তৈরী হবে।

এতে করে কওমীরা নিজেরাই শুধু স্বাবলম্বীহবেন না নতুন কর্মসংস্থানের ও সৃষ্টি হবে। সারা বাংলাদেশের আলেমদের নেতৃত্বে হাজার হাজার বেকার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরী হবে। কওমীদের তৈরীকৃত প্রোডাক্ট সারাবিশ্বে রপ্তানি হবে।

শেয়ার করুন

© All rights reserved, প্রবাসী ক্লাব ফাউন্ডেশন- The Expat Club Foundation. (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি)।  
Design & Developed By NCB IT
Shares