September 18, 2020, 11:16 am

শিরোনাম
বাগেরহাট জেলার ২০২১ সালে রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড ছাড়াবে মোংলা বন্দর। মোঃ জহির উদ্দিন সাইক্লিং করে পিরোজপুর। পিরোজপুর পৌর যুবলীগের ৩নং ওয়ার্ড কার্যালয় পুড়িয়ে দিলেন সন্ত্রাসীরা। বিমানের ফ্লাইট স্থগিতের মেয়াদ আরেক দফা বাড়িয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাগেরহাটে গুরজিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় টাকা না দিলে মিলছে না প্রশংসাপত্র। ধর্ষণ শেষে হত্যার ৪৫ দিন পর সেই স্কুল ছাত্রী থানায় হাজির প্রেমের ফাঁদে ফেলে গোপনে বিয়ে অতঃপর যৌতুকের জন্য চাপ, যৌতুক না দেয়াতে তালাক। সাউথ আফ্রিকার,ডারবানে একটি মসজিদে আগুন মোংলা অনলাইন প্রেস ক্লাবের সাথে একাত্নতা প্রকাশ উপজেলা চেয়ারম্যান হাওলাদার আবু তাহের। বাগেরহাট জেলার খাল থেকে ৪২ কেজি হরিনের মাংস, হরিন শিকারের ফাঁদ’সহ নৌকা জব্দ।

নিম্ন আদালতে যেভাবে চলবে বিচার কাজ

চার মাসের বেশি সময় পর বুধবার বিচার কার্যক্রম চালু হচ্ছে দেশের সব নিম্ন আদালতে। ৩০ জুলাই প্রধান বিচারপতির বরাতে এ-সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

আদালতের বিচারক, আইনজীবী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিচার প্রার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে প্রতিরোধমূলক বিভিন্ন ব্যবস্থার বিষয়েও বলা হয়।

করোনাভাইরাস (কোভিড- ১৯) সংক্রমণ রোধে গেল মার্চের শেষ সপ্তাহে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও আদালত ছুটি ঘোষণা করে সরকার। ছুটির মধ্যে শারীরিক উপস্থিতি ব্যতিরেকে উচ্চ ও অধস্তন আদালতে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে সীমিত পরিসরে মামলার কার্যক্রম চালু করতে ৭ মে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘আদালত কর্তৃক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ ২০২০’ এর খসড়া অনুমোদন পায়। এরপর ৯ মে এ সম্পর্কিত অধ্যাদেশ জারির পর ১১ মে থেকে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে অধস্তন আদালতে হাজতি আসামিদের জামিন শুনানি ও উচ্চ আদালতে সীমিত পরিসরে মামলার শুনানি শুরু হয়।

গত ৮ জুলাই প্রয়োজন অনুসারে ভার্চুয়াল আদালত চালানোর বিধান রেখে সংসদে তা আইন হিসেবে পাস হয়। ঘোষিত ছুটি গত ৩০ মে শেষ হলেও নিয়মিত বিচার কার্যক্রম বন্ধই থাকে। তবে অধস্তন বিভিন্ন আদালতে আত্মসমর্পণ ও নালিশি মামলাসহ দেওয়ানি এবং উত্তরাধিকার মামলার আবেদন গ্রহণ ও শুনানি চলে। এরই মধ্যে নিয়মিত বিচার কার্যক্রম চালু করতে আইনজীবীরা মানববন্ধ, পদযাত্রা কর্মসূচী পালনসহ

প্রধান বিচারপতি বরাবর কয়েক দফায় চিঠির মাধ্যমে আবেদন জানান।

অধস্তন আদালতে বিচার কার্যক্রম চালু বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন জানায়, আদালত সংশ্লিষ্ট সবাই শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি এজলাস, স্বাক্ষীর ডক (স্বাক্ষীর জন্য নির্ধারিত স্থান) এবং কাঠগড়ায় প্রয়োজনীয় অংশে গ্লাস দিয়ে পৃথক প্রতিরোধক প্রকোষ্ঠ প্রস্তুতের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

বিচারক ও আইনজীবীরা সাদা শার্ট বা সাদা শাড়ী/ সালোয়ার কামিজ ও সাদা নেক ব্যান্ড ও কালো টাই পরিধান করবেন।

জেলা জজ/ মহানগর দায়রা জজ/ চিফ মেটাপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট/ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের প্রবেশ পথে এবং প্রকাশ্য স্থানে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা হিসেবে বেসিন ও সাবান পানির ব্যবস্থা করতে হবে।

আদালতে উপস্থিত প্রত্যেকে যথাসম্ভব নিজ নাক, মুখ ও চোখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকাসহ আদালত প্রাঙ্গণ ও এজলাসকক্ষে প্রত্যেকে মুখাবরণ (ফেস মাস্ক) এবং হাতমোজা পরিহিত অস্থায় থাকতে হবে।

নির্দেশিকায় বলা হয়, অত্যান্ত জরুরি কারণ ছাড়া আদালত প্রাঙ্গণে আসা থেকে বিরত থাকতে হবে। আদালত প্রাঙ্গণ ও আদালত ভবনে প্রবেশের সময় প্রত্যেকের শরীরের তাপমাত্রা থার্মাল স্ক্যানারের মাথ্যমে পরীক্ষা করতে হবে। আদালত এলাকায় প্রবেশের সময় কেউ জ্বর বোধ করলে কিংবা কারো শরীরে তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা তার বেশি থাকলে, কোভিডের লক্ষণ যেমন, কাশি, শাসকষ্ট, সর্দি, ঠান্ডাজনিত ঘন ঘন কাঁপুনি, পেশি ব্যাথা, মাথা ব্যাথা, গলা ব্যাথা, স্বদ বা গন্ধের অনুভূতি নষ্ট হওয়া, ডায়রিয়া ইত্যাদিতে আক্রান্ত কিংবা কোভিড- ১৯ রোগীর সংস্পর্শে এসেছেন এমন কাউকে অবশ্যই আদালত প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

আদালতের সংশ্লিষ্ট বিচারক শুনানি কার্যক্রমের সময়সূচী ও পদ্ধতি এমনভাবে নির্ধারণ করবেন যাতে আদালত ভবন ও এজলাসে কোনো ঝুঁকিপূর্ণ জনসমাগম না ঘটে। একটি মামলার শুনানি শেষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এজলাস কক্ষ ত্যাগ করার পর বিচারক পরবর্তী মামলা শুনানির জন্য গ্রহণ করবেন। এ ছাড়া একটি মামলার শুনানিতে সর্বোচ্চ দুজন আইনজীবী অংশ নিতে পারবেন। এজলাসকক্ষে ছয়জনের বেশি ব্যক্তির সমাগম না করাসহ প্রত্যেককে আরেকজনের থেকে কমপক্ষে ছয় ফুট শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে আসন বিন্যাস করতে হবে।

এতে আরো বলা হয়, জামিন শুনানি এবং আমলি আদালতে ধার্য তারিখে হাজিরার জন্য কারাগারে থাকা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে প্রিজন ভ্যান বা অন্য কোনোভাবে আদালত প্রাঙ্গণ বা এজলাসকক্ষে হাজির করার আবশ্যিকতা নেই।

এ ছাড়া স্বাস্থ্যবিধি ও শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিক উদ্ভুত যে কোনো পরিস্থিতি বিচেনায় সংশ্লিষ্ট বিচারক প্রয়োজনবোধে আনুষাঙ্গিক যে কোনো সুরক্ষামুলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এবং আদালত প্রাঙ্গণ ও এজলাস কক্ষে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে বিচারক সংশ্লিষ্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন। পাশাপাশি আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আদালতের কাজ শেষে এজলাস কক্ষ ত্যাগ করতে অনুপ্রাণিত করতে হবে।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনায় আরো বলা হয়, সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপার/ উপ-পুলিশ কমিশনার কোর্ট পুলিশ পদায়ন/ বদলি করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা জজ/ মহানগর দায়রা জজ/ চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট/ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।আদালতে জনসাধারণের ব্যবহার্য স্থানসমূহ, সরঞ্জামাদি, এজলাসক্ষ, আসবাবপত্র, জীবাণুমুক্ত রাখাতে হবে। আদালত প্রাঙ্গণে সব দোকান বন্ধ রাখার পাশাপাশি কোনো প্রকার ভ্রাম্যমাণ দোকানও বসতে দেওয়া হবে না।

শেয়ার করুন

© All rights reserved, প্রবাসী ক্লাব ফাউন্ডেশন- The Expat Club Foundation. (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি)।  
Design & Developed By NCB IT
Shares