May 16, 2021, 11:02 am

শিরোনাম
পিরোজপুরে অসহায় কর্মহীন মানুষের পাশে “ফ্রেন্ডস’ ৯৭ পিরোজপুর” লকডাউন বাড়ছে ১৬ মে পর্যন্ত, এক জেলা থেকে আরেক জেলায় গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। প্রবাসী আয়ে ঢল, রিজার্ভ বেড়ে ৪৫ বিলিয়ন ডলার,এপ্রিলে ২০৬ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা । মে মাসের প্রথম দুই দিনে এসেছে ১৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার। যত টাকা লাগুক, প্রয়োজনীয় করোনার টিকা আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী পিরোজপুর জেলা সেভ দ্যা ফিউচার ফাউন্ডেশনের পবিত্র রমজান মাসে খাদ্যদ্রব্য বিতরণ। পিরোজপুর HDTএর সৌজন্যে সেলাই মেশিন বিতরণ। লকডাউনে পিরোজপুর শহরে মাদকের ভয়াবহতা বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ! করোনাকালে অসহায় কৃষকের ধান কেটে দিলেন পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগ। একসঙ্গে কাজ করবে হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুক মেসেঞ্জার মেয়ের বিরুদ্ধে হত্যার চেষ্টা ও ষড়যন্ত্র মুলক মামলা দায়ের করলো “মা”।

৮০ কোটি শিশুর রক্তে মিশে যাচ্ছে ক্ষতিকারক সিসা!

এ পৃথিবীকে শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি…। নবজাতকের কাছে এই অঙ্গীকার আমরা হয়তো করেছিলাম। কিন্তু কথা রাখতে পারিনি। আমরা ব্যর্থ। পরের প্রজন্মকে হয়তো আমরাই মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছি একটু একটু করে। এই পৃথিবীর তিন চতুর্থাংশ বাচ্চার শরীরে মিশে যাচ্ছে ক্ষতিকারক সিসা। আমরা দেখছি, জানছি, রিপোর্ট তৈরি করছি। কিন্তু রোধ করতে পারছি না। এর থেকে বড় ব্যর্থতা আর কি কিছু আছে! শিশুরা এই বিষ রক্তে নিয়েই বেঁচে থাকতে বাধ্য হচ্ছে। UNICEF জানিয়েছে, সারা বিশ্বে প্রায় ৮০ কোটি বাচ্চার রক্তে মিশে যাচ্ছে ক্ষতিকর সিসা। যার ফল হতে পারে মারাত্মক।

অ্যাসিড ব্যাটারির অবৈধ পুনর্ব্যবহার বড় বিপদ ডেকে আনছে। UNICEF ইতিমধ্যে এই ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করার দাবি তুলেছে। UNICEF ও Pure Earth- এর The report – The Toxic Truth: Children’s exposure to lead pollution undermines a generation of potential জানিয়েছে, সারা বিশ্বে প্রায় ৮০ কোটি বাচ্চার রক্তে সিসার স্তর পাঁচ মাইক্রোগ্রাম প্রতি ডেসিলিটার বা তার থেকে বেশি দাঁড়িয়েছে। UNICEF-এর এই রিপোর্ট বলছে, পৃথিবীর তিনটি শিশুর মধ্যে একজনের রক্তে সিসার পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেশি। UNICEF জানিয়েছে, বাচ্চাদের রক্তে সিসার পরিমাণ এত বেশি হয়ে গেলেন চিকিত্সার প্রয়োজন হয়।

UNICEF জানিয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার বাচ্চারা সব থেকে বেশি পরিমাণে আক্রান্ত। শিশুদের স্বাস্থ্য ও বিকাশে বড় প্রভাব পড়তে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিসা শক্তিশালী নিউরোটক্সিন। শিশুদের মস্তিষ্কে অপূরণীয় ক্ষতি করতে পারে সিসা। অ্যাসিড ব্যাটারির খোলস ভেঙে মসলা ছড়িয়ে দেয় কর্মীরা। ফলে অ্যাসিড ও সিসার ধূলিকণা মাটিতে পড়ে। তর পর অপরিশোধিত সিসা উন্মুক্ত চুল্লিতে গলানো হয়। যা থেকে বিষাক্ত ধোঁয়া বের হয়। ধাতববর্জ্য থেকেই মূলত সিসা শিশুদের শরীরে প্রবেশ করছে বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ।

শেয়ার করুন

© All rights reserved, প্রবাসী ক্লাব ফাউন্ডেশন- The Expat Club Foundation. (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি)।  
Design & Developed By NCB IT
Shares