September 21, 2021, 6:04 pm

শিরোনাম
চাকরিজীবীরা একে অপরকে বিয়ে করতে পারবে না,সাংসদ বাবলুর প্রস্তাব বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ১১-২০ গ্রেডের সরকারি চাকুরিজীবীদের দোয়া ও তাবারক বিতরণ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬- তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠান। পিরোজপুর সদর উপজেলা জেলা সেভ দ্য ফিউচার ফাউন্ডেশন এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা শোকের মাসে সৌদি প্রবাসীদের দূতাবাসের বিশেষ সেবা প্রদান করা হবে- রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ থেকে, সামাজিক সংগঠন এমিনেন্ট বয়েজ কে কাভিট ইকুপমেন্ট প্রদান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরের জন্য ঘুষ না দেওয়ায় মারপিট! ইন্দুরকানীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের -২৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত! ছাত্রদল নেতা সিরাজ এখনো বয়ে বেড়ান তার সেই ভয়াবহ গুলির স্মৃতি পিরোজপুর সদরে ভূইফোঁড় সাংবাদিক ও মানবাধিকার নেতার ছড়াছড়ি।

আজ মেজর জিয়া উদ্দিনের ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী।

এম.এন উদ্দিন (পিরোজপুর): মুক্তিযুদ্ধের ৯ নম্বর সেক্টরের সুন্দরবন সাব-সেক্টর কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) জিয়াউদ্দিন আহমেদের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ।মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তী বীরসেনানী মেজর (অব.) জিয়াউদ্দিন ২০১৭ সালের আজকের দিনে ২৮ জুলাই ২০১৭ শুক্রবার সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ঐ দিন ভোরে সিঙ্গাপুর পেরিয়ে খবরটা চলে আসে বাংলাদেশে।পরে পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার লাশ পিরোজপুরে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার অন্যতম সাক্ষী মেজর জিয়াউদ্দিনের আদি বাড়ি পিরোজপুর জেলার ভাণ্ডারিয়ায়। আইনজীবী বাবা আফতাব উদ্দিন আহমেদের ছেলে জিয়াউদ্দিন ১৯৫০ সালে পিরোজপুর শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৯ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। একাত্তরের ২০ মার্চ সেকেন্ড লেফট্যানেন্ট হিসেবে ছুটিতে বাড়ি আসেন এবং ২৭ মার্চের পর মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন।

প্রথমে তিনি পিরোজপুর শহরে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করেন এবং নবম সেক্টরের অধীনে সুন্দরবনে ঘাঁটি স্থাপন করে ১৪ হাজার মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে যুদ্ধ শুরু করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে ক্যাপ্টেন ও পরে মেজর পদে পদোন্নতি পান। ১৯৭৫ সালের ৩ ও ৭ নভেম্বর পরপর দুটি সেনা অভ্যুত্থানকালে মেজর জিয়া সরকারি কাজে পিরোজপুর শহরে মুক্তিবাহিনী সদস্যদের পুলিশে ভর্তি জন্য পিরোজপুরে ছিলেন। পরে ঢাকায় ফিরে কর্নেল তাহেরের নির্দেশে জেনারেল জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে ‘৭১ সালের মতো ঘাঁটি স্থাপন করেন। এর পর ‘৭৬ সালের জানুয়ারিতে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার মাঝেরচরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে কর্নেল তাহেরসহ মেজর জিয়া এবং জাসদ নেতাদের বিচার হয়। বিচারে কর্নেল তাহেরকে ফাঁসি এবং মেজর জিয়াকে যাবজ্জীবনসহ অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন সামরিক আদালত। ‘৮০ সালে মেজর জিয়াউদ্দিন সাধারণ ক্ষমায় মুক্তি পান এবং জাসদে যোগ দেন। ১৯৮৯ সালে পিরোজপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তার কিছু স্মৃতি গ্রন্থ রয়েছে। ‘মুক্তিযুদ্ধে সুন্দরবনের সেই উন্মাতাল দিনগুলো’, ‘সুন্দরবন সমরে ও সুষমায়’ যার মধ্যে অন্যতম।

শেয়ার করুন

© All rights reserved, প্রবাসী ক্লাব ফাউন্ডেশন- The Expat Club Foundation. (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি)।  
Design & Developed By NCB IT
Shares