September 19, 2021, 10:36 pm

শিরোনাম
চাকরিজীবীরা একে অপরকে বিয়ে করতে পারবে না,সাংসদ বাবলুর প্রস্তাব বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ১১-২০ গ্রেডের সরকারি চাকুরিজীবীদের দোয়া ও তাবারক বিতরণ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬- তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া অনুষ্ঠান। পিরোজপুর সদর উপজেলা জেলা সেভ দ্য ফিউচার ফাউন্ডেশন এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা শোকের মাসে সৌদি প্রবাসীদের দূতাবাসের বিশেষ সেবা প্রদান করা হবে- রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ থেকে, সামাজিক সংগঠন এমিনেন্ট বয়েজ কে কাভিট ইকুপমেন্ট প্রদান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরের জন্য ঘুষ না দেওয়ায় মারপিট! ইন্দুরকানীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের -২৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত! ছাত্রদল নেতা সিরাজ এখনো বয়ে বেড়ান তার সেই ভয়াবহ গুলির স্মৃতি পিরোজপুর সদরে ভূইফোঁড় সাংবাদিক ও মানবাধিকার নেতার ছড়াছড়ি।

ঘুষ ছাড়া সরকারি সুবিধা পায় না গ্রামবাসী।

রাজু চৌধুরী বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধিঃমোংলায় সুন্দরবন ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্যর এম নরুল আমীন এর বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। গত ২০১৬ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ক্ষমতা গ্রহনের পর থেকে সরকারি যে সকল সুযোগ সুবিধা আসে সেটা সরকারি নিয়মের বাইরে জনসাধারনের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে দেয়ার প্রতুশ্রুতি দিলেও সাধারন জনগন পায়না সরকারি এসব সুযোগ সুবিধা। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, সরকারি পানির ছোট পাত্র নিতে গেলে দিতে হয় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। বয়স্ক ভাতার ক্ষেত্রে গুনতে হয় ৮/৯ হাজার টাকা। বিধবা ভাতা, পঙ্গু ভাতা, সরকারি পানির ট্যাং, ভিজিপি কার্ড পেতে হলে দিতে হবে ৬/৭ হাজার টাকা। রয়েছে নারী শ্লীলতাহানির মত ঘটনা। প্রায় দেড় বছর আগে ৬ নং ওয়ার্ডে এক গৃহবধূর অভিন্ন কৌশলে ফাঁসিয়ে দেয় এই নরুল সদস্য। গৃহবধূকে সরকারি ঘর দেবার কথা বলে টাকা নেয় ৫ হাজার, বছরের পর বছর যায় ঘরের কোন হদিস পায় না এই গৃহবধূ।

মেম্বারের কাছে টাকা ফেরৎ চাইলে দেওয়া হয় হুমকি ধামকি। সরকারি চাউলের কার্ডের কথা বলে নেয় ৩ হাজার টাকা হদিস নেই চাউলের ও। এই গৃহবধূ এখন ৩ সন্তান নিয়ে রয়েছে চরম বিপদে, পায়না সরকারি কোন সহায়তা। অভিযোগ রয়েছে নকল নাম দিয়ে সরকারি চাউল থেকে শুরু করে সকল সুযোগ সুবিধা নিজেই ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নিয়ে আসেন কিন্তুু নাম মাত্র ৬০% কিছু লোক ঘুষের বিনিময়ে পেলেও অসহায় দিন মজুরেরা সরকারি এ সব সুযোগ সুবিধা কিছুই পায়না। স্থানীয় এক ভুক্তোভুগী জানান, সরকারি রেশনের কার্ড দেওয়ার পর মাত্র ১ বার চাউল দেবার পর কার্ডটি কৌশলে মেম্বার নরুল নিয়ে যায় এবং লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যায় এই কার্ডটি। ইউনিয়নের দোয়ারিজারা আদর্শ গ্রামে মোন্তাজ উদ্দিন ফকির বলেন, সরকারি ঘর দেওয়ার কথা বলে ১২ হাজার টাকা একং ছোট পানির পাত্র দেওয়ার কথা বলে ৩০০ টাকা নিয়ে ক্ষান্ত হয়নি এই মেম্বার। রাজনীতি কৌশলে ব্যবহার করে বেদখল করে দেয় বসতির জায়গা, কোন রকমে রাস্তার পাশে ছোটো একটি কুড়ে ঘরে থাকে মোন্তাজ। এত শত অভিযোগের কিছুই জানেন না সুন্দরবন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেখ কবির উদ্দিন।

তিনি নিজেই উল্টা অভিযোগ ছুড়ে দিলেন ভুক্তোভুগীদের উপর। শেখ কবির উদ্দিন বলেন, এসব অভিযোগ বানোয়াট ভিত্তিহীন, আমার ইউনিয়নে এসব ঘটনা আর আমি যানবো না। এ বিষয়ে ইউপি মেম্বারেরর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা হলো আমার প্রতিপক্ষের সাঁজানো। আপনার সরেজমিনে গিয়ে দেখেন। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই। এদিকে এ ঘটনায় সাংবাদিকরা ভুক্তোভুগীদের সাক্ষাৎকার নিয়ে আসার পর মেম্বারের লোকেরা একের পর এক দিয়ে যাচ্ছেন হুমকি। বলা হচ্ছে গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে। এর সমাধান চায় স্থানীয় সচেতন মহল। তবে এসব দূর্নীতির শিকার ভুক্তোভুগীরা মেম্বারের উপযুক্ত বিচার চেয়েছেন খুলনা সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আঃ খালেক এর কাছে।

শেয়ার করুন

© All rights reserved, প্রবাসী ক্লাব ফাউন্ডেশন- The Expat Club Foundation. (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি)।  
Design & Developed By NCB IT
Shares