March 8, 2021, 12:48 am

শিরোনাম
জয় হোক মানবতার, জয় হোক সাপোর্ট এর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ইরাক প্রবাসী খোলা চিঠি। টাকার মেশিন এমপি নূর মোহাম্মদের বিকাশ নাম্বার, অজ্ঞাত উৎস থেকে প্রতিদিন ঢুকছে টাকা! বাংলাদেশ থেকে ১২ হাজার কর্মী নেবে সিঙ্গাপুর ও রোমানিয়া কৌশলে রেজিস্ট্রেশন করে টিকা নিচ্ছেন ৪০ বছরের কম বয়সীরাও! বিশ্ববিদ্যালয় খুলবে ২৪ মে,আবাসিক হল ১৭ মে: শিক্ষামন্ত্রী পিরোজপুরে স্কুল শিক্ষিকার বাসা থেকে গৃহপরিচারিকার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার। “বকুলতলা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অমর একুশের ভাষা শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ” ভাষা শহীদদের জন্য বায়তুল মোকাররমে দোয়া ও মোনাজাত বাগেরহাটে গাছে আমের মুকুলে ভরপুর স্বপ্ন বুনছেন চাষিরা।

ভিয়েতনামে দূতাবাসের সামনে প্রতিকারের অপেক্ষায় ৬২ বাংলাদেশি

ভিয়েতনামে গিয়ে যথাযথ কাজ ও বেতন না পাওয়া আরও ১৭ জন বাংলাদেশি আজ সোমবার ভোরে দূতাবাসে হাজির হয়েছেন। এর আগে গতকাল রোববার একই অভিযোগে আসেন আরও ১২ জন। গত সপ্তায় এসেছেন আরও ছয়জন। আগে থেকে সেখানে আছেন আরও ২৭ বাংলাদেশি। এ নিয়ে মোট ৬২ বাংলাদেশি এখন দূতাবাসের প্রতিকারের অপেক্ষায় আছেন।

নতুন ভুক্তভোগীদের একজন ফরিদুল ইসলাম জানান, ভিয়েতনামের গুনতাও এলাকায় দীর্ঘ সাত মাস তাদের ঠিকমতো কাজ না দিয়ে, বেতন না দিয়ে এখানে সেখানে ঘোরায় দালালেরা। বেতন চাইতে গেলে তাদের উপর শারীরিক নির্যাতন করা হতো। প্রতিকারের আশায় দুই হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে সোমবার ভোর ৪টায় হানয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে তারা মোট ১৭ জন এসেছেন।

ভুক্তভোগীদের মধ্যে নরসংদীর জাহাঙ্গীর আলম, ফেনীর আবু সায়েম, নোয়াখালীর নুর হোসেন, ময়মনসিংহের আব্দুল হক, শহিদুল ইসলাম ও মিলন মিয়া জানান, তারা ১৭ জন ভুক্তভোগী ভোর ৫ টায় দূতাবাসের সামনে যান। দূতাবাস সকালে বন্ধ থাকার কারণে নিরুপায় হয়ে দূতাবাসের সামনের ফুটপাতে অবস্থান নেন। পরে দূতাবাসের কর্মকর্তারা তাদের সাথে কথা বলেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন খাবার বা থাকার ব্যবস্থা করা হয়নি। ফলে ফুটপাতেই আছেন।

এর আগে একইরকম পরিস্থিতির শিকার হয়ে ৩ জুলাই ২৭ জন, ১২ জুলাই ৬ জন এবং গতকাল ১৯ জুলাই ১২ বাংলাদেশিসহ মোট ৬২ ভুক্তভোগী ক্যাম্পে থেকে পালিয়ে দূতাবাসে আশ্রয় জন্য আসেন। এ সকল ভুক্তভোগীরা ভিয়েতনাম সরকারের সহায়তায় দূতাবাসের পার্শ্বে একটি হোটেলে অবস্থান করছেন।

অভিবাসন আইনের ধারা: ২৯ এর উপ-ধারা (১) বলা হয়েছে, “কোন অভিবাসী কর্মীর, বিশেষত বিদেশে আটককৃত কিংবা আটকেপড়া বা বিপদগ্রস্ত কর্মীর দেশে ফিরিয়া আসিবার এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন বা দূতাবাসের নিকট হইতে প্রয়োজনীয় সহায়তা পাইবার অধিকার থাকিবে।” তবে এখনো এই প্রবাসীরা যথাযথ সহায়তা পাননি।

ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান বলেন, ‘জুলাই মাসের শুরুতে ভিয়েতনাম থেকে ১১ বাংলাদেশি ঢাকায় ফেরত আসার পরেই আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি আরও অনেকেই একই পরিণতির শিকার। গুনতাওসহ ভিয়েতনামের বিভিন্ন ক্যাম্পে শতাধিক বাংলাদেশি আছেন। এখন তো ৬২ বাংলাদেশি সহায়তার আশায় দূতাবাসে গিয়েছেন। সরকারের উচিত বিষয়টা যথাযথভাবে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাতে এমন ঘটনা না ঘটে। একইসঙ্গে তাদের ফিরিয়ে আনতে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

ভুক্তভোগীরা বলেন, বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে তাদের কোন সহযোগিতা করা হচ্ছে না। তাদের অভিযোগ, ভিয়েতনামে বাংলাদেশি কর্মীরা প্রতারণা, নির্যাতন ও মানব পাচারের শিকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অথচ সরকারি সব নিয়মকানুন মেনে জনশক্তি ব্যুরোর ছাড়পত্র নিয়ে তারা ভিয়েতনামে এসেছিলেন। কিন্তু কাজ না দিয়ে তাদের সাপ্লাই এজেন্টের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়। প্রশ্ন উঠেছে, ভিয়েতনামে কর্মী প্রেরণের ডিমান্ডলেটারে দূতাবাসের এ্যাটাস্ট্রেশন ছাড়াই কি করে বিএমইটি এই কর্মীদের বিদেশে যাওয়ার ছাড়পত্র দিল।

শেয়ার করুন

© All rights reserved, প্রবাসী ক্লাব ফাউন্ডেশন- The Expat Club Foundation. (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি)।  
Design & Developed By NCB IT
Shares