April 17, 2021, 12:21 am

শিরোনাম
পিরোজপুরে রোজাদারদের মাঝে ইফতার বিতরণ করছে ইয়ূথ সোসাইটি লকডাউনে সৌদি আরব, ইউএই, ওমান, কাতার ও সিঙ্গাপুরগামীদের জন্যে বিশেষ ফ্লাইট গঠনতন্ত্র বিরোধী কার্যক্রমের অভিযোগে পিরোজপুর প্রেসক্লাবের একযোগে- ১০কর্মকর্তার পদত্যাগ। ভান্ডারিয়া পৌর এলাকায় গৃহবধূকে রাতভর গণধর্ষণ, গ্রেফতার ৫ পিরোজপুরে উদ্দীপন শিশু ও যুব ক্লাবের আয়োজনে মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন রাত ৮টার দিকে মা সায়েরা খাতুনের কোল আলোকিত করে আসেন ইতিহাসের মহানায়ক; বাঙালি ও বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেভ দ্য ফিউচার ফাউন্ডেশন এর বঙ্গবন্ধু র জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন। বিমান ভাড়া বাড়িয়ে চালু হচ্ছে ঢাকা-বরিশাল বাংলাদেশ বিমান কলাখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বর্তমান চেয়ারম্যান কে চায় সাধারন জনগন। পাসপোর্টের মেয়াদ এক বছর বাড়াতে কোনো ধরনের ফি লাগবে না প্রবাসীদের

ইরানে মানব পাচারের গড ফাদার শেখ ফরিদ ও বাংলাদেশ থেকে সহায়তা করেন ভাতিজা আসাদুজ্জামান।

ভাতিজা আসাদুজ্জামান-দক্ষিণ সুনামগঞ্জ।

ইলিয়াস হাওলাদার: সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানে যারা কনস্ট্রাকশন কোম্পানিতে কাজে যায় ছয়মাস পর তেমন একটা কাজ থাকেনা, তখনই শ্রমিকদের মধ্যে হতাশায় পড়ে যায়। আর এই শ্রমিকদের টার্গেট করে মানব পাচারকারী দালাল চক্র, শ্রমিকদের থাকার ক্যাম্পে এসে সম্পর্ক গড়ে মানব পাচারকারী দালাল চক্র। একই কোম্পানিতে থাকা কিছু অসাধু সুপারভাইজারের সাথে হাত মিলিয়ে বলবে তোমাকে অন্য সাইটে নিয়ে যাবো আবার কাউকে ইউরোপের মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে পাহাড় জঙ্গল ও স্পিডবোটে করে নিয়ে যাবে ইরান। সেখানে নিয়েই শুরু হয় মুক্তিপণের টাকার অমানুষিক নির্যাতন।

ইরানের দালালদের গডফাদার দক্ষিণ সুনামগঞ্জের শ্যামলী পাড়ার হাজী লাল মিয়ার ছেলে ফরিদ মিয়া ( ইরানে তার নাম শেখ ফরিদ) ফরিদ মিয়া যে কোনভাবে ইরানে লোক নিতে পারলেই হলো। দুবাই ওমানে থাকা বন্ধুদেরকে কল দিবে ইরান থেকে কিন্তু নাম্বার উঠবে গ্রিসের ওটাকে বলে ডাবল লাইন, কল দিয়ে বলতে বলবে আমি গ্রিস চলে আসছি তুমি আসতে চাইলে তাদের লোকের সাথে যোগাযোগ করতে। মার খাওয়ার ভয়ে অনেকেই এভাবে ঘনিষ্ঠ বন্ধুদেরকেও একই পথে নিয়ে যায় ইরান।

তারপর দিনে চার থেকে পাঁচবার মারধর করে টাকার জন্য। পরিবারের নাম্বার দিয়ে দেয় ফরিদ মিয়ার আপন ভাতিজা সিলেট পলিটেকনিক‌‌‌ এর সাবেক ছাত্র আসাদুজ্জামানকে, এই আসাদুজ্জামান নিজের ডাচ্ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট ও এস এ পরিবহনের মাধ্যমে জন প্রতি ছয় থেকে দশ লাখ টাকা করে নিত। সন্তানকে বাঁচানোর জন্য বাবা মা দিশেহারা হয়ে ঘর বাড়ি বিক্রি করে টাকা দিছে আসাদুজ্জামানকে। টাকা দিলেও মিলতো না মুক্তি কয়েক ঘরে বিক্রি করতো এই ফরিদ মিয়া। দেশে এসে সমস্ত ডকুমেন্ট থাকা সত্ত্বেও মামলা করতে পারিনায় ভিকটিম ও দালালদের বাড়ি আলাদা জেলায় হওয়ার কারণে।

শেয়ার করুন

© All rights reserved, প্রবাসী ক্লাব ফাউন্ডেশন- The Expat Club Foundation. (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি)।  
Design & Developed By NCB IT
Shares