January 25, 2021, 5:15 am

শিরোনাম
বাগেরহাটের রামপালে প্রধানমন্ত্রীর ঘর পেয়েছে ১০ গৃহহীন পরিবার। কাশিমপুর কারাগারে বন্দির নারীসঙ্গে সহযোগিতা করায় ডেপুটি জেলারসহ ৩ জন প্রত্যাহার পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার পিরোজপুরে সংবাদ সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন ৩০ বছরের মহিলা কাউন্সিলর মিনারা বেগম। কাশিমপুর কারাগারে কয়েদির নারীসঙ্গী, গঠিত হয়েছে, দুটি তদন্ত কমিটি। করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান “সিরামে” আগুন পিরোজপুরে সাবেক এমপি আউয়াল দম্পতির সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ সাবেক স্ত্রী অপুর সঙ্গে আবারো এক হচ্ছেন শাকিব ১৪ ই জানুয়ারী মডেল অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা জামান এর জন্মদিন ‘প্রবাসীদের সেবার মান বাড়াতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে’

ইরানে মানব পাচারের গড ফাদার শেখ ফরিদ ও বাংলাদেশ থেকে সহায়তা করেন ভাতিজা আসাদুজ্জামান।

ভাতিজা আসাদুজ্জামান-দক্ষিণ সুনামগঞ্জ।

ইলিয়াস হাওলাদার: সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানে যারা কনস্ট্রাকশন কোম্পানিতে কাজে যায় ছয়মাস পর তেমন একটা কাজ থাকেনা, তখনই শ্রমিকদের মধ্যে হতাশায় পড়ে যায়। আর এই শ্রমিকদের টার্গেট করে মানব পাচারকারী দালাল চক্র, শ্রমিকদের থাকার ক্যাম্পে এসে সম্পর্ক গড়ে মানব পাচারকারী দালাল চক্র। একই কোম্পানিতে থাকা কিছু অসাধু সুপারভাইজারের সাথে হাত মিলিয়ে বলবে তোমাকে অন্য সাইটে নিয়ে যাবো আবার কাউকে ইউরোপের মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে পাহাড় জঙ্গল ও স্পিডবোটে করে নিয়ে যাবে ইরান। সেখানে নিয়েই শুরু হয় মুক্তিপণের টাকার অমানুষিক নির্যাতন।

ইরানের দালালদের গডফাদার দক্ষিণ সুনামগঞ্জের শ্যামলী পাড়ার হাজী লাল মিয়ার ছেলে ফরিদ মিয়া ( ইরানে তার নাম শেখ ফরিদ) ফরিদ মিয়া যে কোনভাবে ইরানে লোক নিতে পারলেই হলো। দুবাই ওমানে থাকা বন্ধুদেরকে কল দিবে ইরান থেকে কিন্তু নাম্বার উঠবে গ্রিসের ওটাকে বলে ডাবল লাইন, কল দিয়ে বলতে বলবে আমি গ্রিস চলে আসছি তুমি আসতে চাইলে তাদের লোকের সাথে যোগাযোগ করতে। মার খাওয়ার ভয়ে অনেকেই এভাবে ঘনিষ্ঠ বন্ধুদেরকেও একই পথে নিয়ে যায় ইরান।

তারপর দিনে চার থেকে পাঁচবার মারধর করে টাকার জন্য। পরিবারের নাম্বার দিয়ে দেয় ফরিদ মিয়ার আপন ভাতিজা সিলেট পলিটেকনিক‌‌‌ এর সাবেক ছাত্র আসাদুজ্জামানকে, এই আসাদুজ্জামান নিজের ডাচ্ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট ও এস এ পরিবহনের মাধ্যমে জন প্রতি ছয় থেকে দশ লাখ টাকা করে নিত। সন্তানকে বাঁচানোর জন্য বাবা মা দিশেহারা হয়ে ঘর বাড়ি বিক্রি করে টাকা দিছে আসাদুজ্জামানকে। টাকা দিলেও মিলতো না মুক্তি কয়েক ঘরে বিক্রি করতো এই ফরিদ মিয়া। দেশে এসে সমস্ত ডকুমেন্ট থাকা সত্ত্বেও মামলা করতে পারিনায় ভিকটিম ও দালালদের বাড়ি আলাদা জেলায় হওয়ার কারণে।

শেয়ার করুন

© All rights reserved, প্রবাসী ক্লাব ফাউন্ডেশন- The Expat Club Foundation. (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি)।  
Design & Developed By NCB IT
Shares