August 2, 2021, 10:12 am

শিরোনাম
শোকের মাসে সৌদি প্রবাসীদের দূতাবাসের বিশেষ সেবা প্রদান করা হবে- রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ থেকে, সামাজিক সংগঠন এমিনেন্ট বয়েজ কে কাভিট ইকুপমেন্ট প্রদান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরের জন্য ঘুষ না দেওয়ায় মারপিট! ইন্দুরকানীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের -২৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত! ছাত্রদল নেতা সিরাজ এখনো বয়ে বেড়ান তার সেই ভয়াবহ গুলির স্মৃতি পিরোজপুর সদরে ভূইফোঁড় সাংবাদিক ও মানবাধিকার নেতার ছড়াছড়ি। বহুরূপী হেলেনা জাহাঙ্গীর এর নতুন রাজনৈতিক দোকান আওয়ামী চাকুরিজীবী লীগ। পিরোজপুরে দলীয় বিদ্রোহীদের প্রভাবে দিশেহারা আ’লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থীরা ফের বিয়ে করেছেন রেলমন্ত্রী, পাত্রী দিনাজপুরের মেয়ে সেভ দ্যা ফিউচার ফাউণ্ডেশন পিরোজপুর জেলা কমিটির কেন্দ্রের অনুমোদন

ইরানে মানব পাচারের গড ফাদার শেখ ফরিদ ও বাংলাদেশ থেকে সহায়তা করেন ভাতিজা আসাদুজ্জামান।

ভাতিজা আসাদুজ্জামান-দক্ষিণ সুনামগঞ্জ।

ইলিয়াস হাওলাদার: সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানে যারা কনস্ট্রাকশন কোম্পানিতে কাজে যায় ছয়মাস পর তেমন একটা কাজ থাকেনা, তখনই শ্রমিকদের মধ্যে হতাশায় পড়ে যায়। আর এই শ্রমিকদের টার্গেট করে মানব পাচারকারী দালাল চক্র, শ্রমিকদের থাকার ক্যাম্পে এসে সম্পর্ক গড়ে মানব পাচারকারী দালাল চক্র। একই কোম্পানিতে থাকা কিছু অসাধু সুপারভাইজারের সাথে হাত মিলিয়ে বলবে তোমাকে অন্য সাইটে নিয়ে যাবো আবার কাউকে ইউরোপের মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে পাহাড় জঙ্গল ও স্পিডবোটে করে নিয়ে যাবে ইরান। সেখানে নিয়েই শুরু হয় মুক্তিপণের টাকার অমানুষিক নির্যাতন।

ইরানের দালালদের গডফাদার দক্ষিণ সুনামগঞ্জের শ্যামলী পাড়ার হাজী লাল মিয়ার ছেলে ফরিদ মিয়া ( ইরানে তার নাম শেখ ফরিদ) ফরিদ মিয়া যে কোনভাবে ইরানে লোক নিতে পারলেই হলো। দুবাই ওমানে থাকা বন্ধুদেরকে কল দিবে ইরান থেকে কিন্তু নাম্বার উঠবে গ্রিসের ওটাকে বলে ডাবল লাইন, কল দিয়ে বলতে বলবে আমি গ্রিস চলে আসছি তুমি আসতে চাইলে তাদের লোকের সাথে যোগাযোগ করতে। মার খাওয়ার ভয়ে অনেকেই এভাবে ঘনিষ্ঠ বন্ধুদেরকেও একই পথে নিয়ে যায় ইরান।

তারপর দিনে চার থেকে পাঁচবার মারধর করে টাকার জন্য। পরিবারের নাম্বার দিয়ে দেয় ফরিদ মিয়ার আপন ভাতিজা সিলেট পলিটেকনিক‌‌‌ এর সাবেক ছাত্র আসাদুজ্জামানকে, এই আসাদুজ্জামান নিজের ডাচ্ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট ও এস এ পরিবহনের মাধ্যমে জন প্রতি ছয় থেকে দশ লাখ টাকা করে নিত। সন্তানকে বাঁচানোর জন্য বাবা মা দিশেহারা হয়ে ঘর বাড়ি বিক্রি করে টাকা দিছে আসাদুজ্জামানকে। টাকা দিলেও মিলতো না মুক্তি কয়েক ঘরে বিক্রি করতো এই ফরিদ মিয়া। দেশে এসে সমস্ত ডকুমেন্ট থাকা সত্ত্বেও মামলা করতে পারিনায় ভিকটিম ও দালালদের বাড়ি আলাদা জেলায় হওয়ার কারণে।

শেয়ার করুন

© All rights reserved, প্রবাসী ক্লাব ফাউন্ডেশন- The Expat Club Foundation. (এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি)।  
Design & Developed By NCB IT
Shares